মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

আপন নিউজ অফিসঃ জোর যার মুল্লুক তার প্রবাদের বাস্তবতা বিরাজমান কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামে। ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর কৌশলী দখল বাজ খলিল গং চক্রের হয়রানীর গ্যাড়াকলে পড়েছে ক্রয় সুত্রে ২৫ শতাংশ ভু-সম্পত্তির মালিক বশির গাজী গং।
৮জুলাই শনিবার সরেজমিনে মজিদপুর গ্রামে গিয়ে জানা যায় মিথ্যা ভিত্তিহীন নাটকীয় কাহিনির অপসংলাপে হয়রানীর গ্যারাকলে মামলা দিয়ে বিক্রিত জমির ০৭শতাংশ জমির দিকে কৌশলী শকন দৃস্টি ফেলেছে খলিলুর রহমান গং। উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামে কুমিরমারা মৌজার জেএল নং ৪২/৫খতিয়ান নং -১৯ দাগের ১৩৯৯ জমি ২৫ শতক ২০১৩ সালে খলিলুর রহমান সাব : রেজিস্ট্রি দলিল মুলে বাদশা গাজীর পুত্র বশির গাজীর কাছে বিক্রি করেন।
বশির গাজীর নামে সিএস /বিএস জরিপ রয়েছে। অনলাইনে খাজনা দাখিলা ২২/২৩ আছে। এ জমির দখলস্বত্ত নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে শালিশ দরবার হয়েছে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া, ০৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য গাজী মহিবুল্লাহ, কৃষিবীদ মজিবুর রহমান উপস্থিত থেকে সার্ভেয়ার দিয়ে ২৫ শতাংশ জমির সিমানা প্রাচীর নির্ধারন করে দেন। খলিলুর রহমান দুই পুত্র আরিফ, পারভেজ,সানু হাং,মাহাবুব হাং সম্প্রতি সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেছে।
৭ শতাংশ জমিতে অবৈধ দখল নিতে বেপরোয়া তান্ডবে জীবনের নিরাপত্তা হারিয়ে অজানা আতংকে রাজধানী ঢাকায় বসবাস কারী বাদশা গাজীর পুত্র বশির গাজী। অবৈধ দখল বাজ খলিলুর রহমান মামলা তুলে নেবার জন্য দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন বশির গাজীর কাছে।
দুর্ভোগী বশির গাজী জানান, দুর্দশার অজানা অধ্যায়। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক আইনী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী বশির গাজী।
এ ব্যাপারে খলিলুর রহমান’র মুঠোফোন একাধিক বার কল দিলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য অভিমত দেওয়া গেল না।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply